
‘‘সিসিডিবি’’-খ্রিষ্টীয়ান কমিশন ফর ডেভলপমেন্ট ইন বাংলাদেশ’’ নামক এনজিও’টির বিরুদ্ধে ভয়ঙ্কর দুর্নীতির তথ্য খুঁজে পাওয়া গেছে। যার সঙ্গে সরাসরি জড়িত ডেভিড অনীল হালদার, এলভিন বরুণ ব্যানার্জি ও জুলিয়েট কেয়া মালাকার। সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের কাছে জমা দেওয়া অভিযোগপত্রে RAP/RP দুর্নীতির যেসব দিক উঠে এসেছে, তার মধ্যে সবচেয়ে গুরুতর অভিযোগ হলো—শিক্ষাগত যোগ্যতা জালিয়াতি, ভুয়া ক্ষতিগ্রস্ত তালিকা (EP) এবং বিলিং কারসাজি।
শিক্ষাগত যোগ্যতা ও বায়ো-ডাটা জাল- অভিযোগে বলা হয়েছে—একাধিক টিম লিডার ও এরিয়া ম্যানেজার মাস্টার্স ডিগ্রির দাবি করলেও সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়ে তাদের নামের রেকর্ড নেই। জাল সনদ ব্যবহার করে RAP/RP-এর মতো গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব নেওয়া হয়েছে। নিয়োগের সময় যথাযথ যাচাই হয়নি। এই জালিয়াতি দাতা সংস্থার নীতিমালার সরাসরি লঙ্ঘন।
ভুয়া EP তালিকা: ক্ষতিগ্রস্ত কে?
সবচেয়ে ভয়াবহ অভিযোগ এসেছে ক্ষতিপূরণ তালিকা নিয়ে—প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্ত বাদ পড়েছে, একই ব্যক্তিকে একাধিক প্রকল্পে ক্ষতিগ্রস্ত দেখানো হয়েছে, ভুয়া নাম অন্তর্ভুক্ত করে কোটি টাকা উত্তোলন করা হয়েছে। একাধিক প্রকল্পে EP তালিকার নমুনাগত মিল পাওয়া গেছে বলে অভিযোগ। বিলিং, MIS ও ইনভয়েস কারসাজি-অভিযোগ অনুযায়ী—একই ব্যক্তি একাধিক প্রকল্পে MIS Expert হিসেবে বিল তুলেছেন; প্রকল্প শেষ হওয়ার পরও বিল উত্তোলনের নজির রয়েছে; মাঠপর্যায়ের কাজের সঙ্গে বিলের মিল নেই। এতে সরকারি ও দাতা সংস্থার অর্থ দুটোই ঝুঁকির মুখে পড়েছে।এনজিও ও সরকারি কর্মকর্তাদের ভূমিকা প্রশ্নবিদ্ধ-অভিযোগে ইঙ্গিত করা হয়েছে—কিছু প্রকল্পে দায়িত্বপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তারা যথাযথ তদারকি করেননি, বিল যাচাইয়ে গাফিলতি ছিল, এতে অনিয়ম সহজ হয়েছে। যদিও এটি তদন্তসাপেক্ষ বিষয়।
কেন এটি রাষ্ট্রের জন্য বিপজ্জনক : বিশেষজ্ঞদের মতে— RAP/RP দুর্নীতি প্রমাণিত হলে দাতা সংস্থা অর্থায়ন বন্ধ করতে পারে; ভবিষ্যৎ অবকাঠামো প্রকল্প হুমকিতে পড়বে; আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হবে; সবচেয়ে বড় ক্ষতি হবে সাধারণ মানুষের।
কী দাবি করা হয়েছে : অভিযোগকারীরা দাবি জানিয়েছেন—স্বাধীন তদন্ত কমিশন; জাল সনদ ও বায়ো-ডাটার ফরেনসিক যাচাই; বিগত RAP/RP প্রকল্পের বিশেষ অডিট; দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা বিশেষত ডেভিড অনীল হালদার, এলভিন বরুণ ব্যানার্জি, জুলিয়েট কেয়া মালাকারের বিরুদ্ধে ‘দুদকে’ মামলা দায়ের করা।
উন্নয়ন মানে শুধু রাস্তা নয়—উন্নয়ন মানে মানুষের অধিকার। RAP/RP যদি দুর্নীতির শিকার হয়, তবে উন্নয়নের নৈতিক ভিত্তিই প্রশ্নের মুখে পড়ে। এখন দেখার বিষয়—তদন্ত হবে, নাকি অভিযোগও হারিয়ে যাবে কাগজের স্তূপে। ‘‘সিসিডিবি’কে ধরার সময় এখনই।
কেন এটি রাষ্ট্রের জন্য বিপজ্জনক : বিশেষজ্ঞদের মতে— RAP/RP দুর্নীতি প্রমাণিত হলে দাতা সংস্থা অর্থায়ন বন্ধ করতে পারে; ভবিষ্যৎ অবকাঠামো প্রকল্প হুমকিতে পড়বে; আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হবে; সবচেয়ে বড় ক্ষতি হবে সাধারণ মানুষের।
কী দাবি করা হয়েছে : অভিযোগকারীরা দাবি জানিয়েছেন—স্বাধীন তদন্ত কমিশন; জাল সনদ ও বায়ো-ডাটার ফরেনসিক যাচাই; বিগত RAP/RP প্রকল্পের বিশেষ অডিট; দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা বিশেষত ডেভিড অনীল হালদার, এলভিন বরুণ ব্যানার্জি, জুলিয়েট কেয়া মালাকারের বিরুদ্ধে ‘দুদকে’ মামলা দায়ের করা।
উন্নয়ন মানে শুধু রাস্তা নয়—উন্নয়ন মানে মানুষের অধিকার। RAP/RP যদি দুর্নীতির শিকার হয়, তবে উন্নয়নের নৈতিক ভিত্তিই প্রশ্নের মুখে পড়ে। এখন দেখার বিষয়—তদন্ত হবে, নাকি অভিযোগও হারিয়ে যাবে কাগজের স্তূপে। ‘‘সিসিডিবি’কে ধরার সময় এখনই।
No comments
Post a Comment